Sunday, February 5, 2017

USB ড্রাইভ এর সাহায্যে উইন্ডোজ XP/7/Vista/8 সেটাপ

USB ড্রাইভ এর সাহায্যে উইন্ডোজ XP/7/Vista/8 সেটাপ

বিভিন্ন কারনে আমাদের অনেক সময় উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়ার দরকার হয়। কিন্তু ঝামেলাটা হয় তখন, যখন দেখা যায় সিডি ড্রাইভে কোন সমস্যা দেখা দিয়েছে কিংবা অনেকে আবার নোটবুক নিয়ে ঝামেলায় পড়েন। চিন্তা নেই এসব সমস্যার ক্ষেত্রে পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড কিংবা যে কোন USB সার্পোটেড মেমোরি থেকে উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়া সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে একটা কথা বলে রাখা দরকার। আপনার মাদারবোর্ডের বায়োস মেনুতে অবশ্যই USB Boot Option টি থাকতে হবে। আর বর্তমানে প্রায় সব মাদারবোর্ডেই এই অপশনটি থাকে। এবার কাজ শুরু করার জন্য আপনার যা দরকার হবে তা হলঃ

১. ৪ জিবি সাইজের একটি পেনড্রাইভ কিংবা মেমোরি কার্ড।

২. Win To Flash সফটওয়্যার (ফুল ভার্সন লিংক)। Size: 6.84 MB
Ads by পিসি হেল্প সেন্টার (বাংলাদেশ) 

৩. উইন্ডোজের সিডি/ডিভিডি।
[বিঃদ্রঃ Windows XP এর ক্ষেত্রে ১ জিবি কিংবা ২ জিবি সাইজের পেনড্রাইভ দিয়েও হবে কিন্তু Windows 7/8/Vista এর ক্ষেত্রে ৪ জিবি এর ছোট হলে হবে না।]

এবার কাজ শুরু করুন। প্রথমে ইউন্ডোজের সিডি/ডিভিডি থেকে সব ফাইল একটা ফোল্ডারে কপি করে আপনার কম্পিউটারে রাখুন। যাদের সিডি ড্রাইভ নেই কিংবা সমস্যা আছে তারা অন্য পিসি থেকে কপি করে কাজ করুন। এরপর Win To Flash সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে আনজিপ করে নিন এবং আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারে প্রবেশ করান। 

সতর্কতাঃ আপনার পেনড্রাইভ/মেমোরিকার্ডে যদি কোন গুরুত্বপূর্ণ ডাটা থাকে তবে ব্যকআপ রেখে নিন। কারন বুটেবল করতে গিয়ে আপনার পেনড্রাইভ ফরমেট করার দরকার হবে। এখন Win To Flash সফটওয়্যার ওপেন করে First start wizard নামের যে ডায়ালগ বক্সটি দেখতে পাবেন সেখান থেকে Next ক্লিক করে I accept EULA তে টিক দিয়ে Next ক্লিক করুন। এখন আপনাকে সফটওয়্যারটি রেজিষ্ট্রেশন করতে বলবে Next এ ক্লিক করে Browse ক্লিক করে Win To Flash সফটওয়্যারের সাথে থাকা License নামের ফোল্ডার থেকে লাইসেন্স ফাইলটি সিলেক্ট করে Ok করে দিন তাইলে সফটওয়্যারটি ফুল ফার্সন হয়ে যাবে। এবার সফটওয়্যার ওপেন হয়ে সফটওয়্যারটির মধ্যে থেকে Windows Setup Transfer Wizard এ ক্লিক করে Next ক্লিক করুন। তারপর Windows file path: এর ওখানে Select এ ক্লিক করে সিডি থেকে কপি করা আপনার উইন্ডোজের ফোল্ডারটি দেখিয়ে দিয়ে ওকে করে দিন। আর USB Drive: এর ওখানে Select এ ক্লিক করে আপনার পেনড্রাইভ সিলেক্ট করে ওকে করে দিয়ে Next ক্লিক করুন। এবার যে বক্সটি আসবে সেখানে প্রথম অপশন “I do accept the terms of the license agreement” সিলেক্ট করে Continue তে ক্লি করে আবার Continue ক্লিক করুন তাহলেই সফটওয়্যারটি পেনড্রাইভ বুটেবল করার জন্য কাজ করতে থাকবে। 

১০০% হয়ে গেলে পেনড্রাইভ বুটেবল হয়ে যাবে এবার সফটওয়্যারটি বন্ধ করে দিয়ে আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। পেনড্রাইভ কম্পিউটারে লাগানো থাকবে। তারপর কম্পিউটার অন হওয়ার সময় যখন মাদারবোর্ডের স্ক্রিন আসবে তখন F2, F5, F6, F8, F10 or Delete চেপে বায়োস মেনুতে প্রবেশ করুন। ভিন্ন ভিন্ন মাদারবোর্ডে এক এক রকম কন্ট্রোল দেওয়া থাকে তাই এতগুলো লিখলাম। তবে বেশিরভাগ মাদারবোর্ডে F10 অথবা Delete দিয়ে বায়োস মেনুতে প্রবেশ করতে হয়। বায়োসে প্রবেশ করে Boot Menu খুজে বের করে First Boot Option এ গিয়ে CD/DVD Drive এর জায়গায় USB Drive সিলেক্ট করে দিন। এবার F10 চেপে Enter দিন। তাহলেই কাজ শেষ। এখন আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে এবং উইন্ডোজ সেটাপ দেওয়ার অপশন সমূহ আসবে।

খুব সহজে আপনাদের সকলের বোধগম্য ভাবে পোষ্টটি লেখার চেষ্টা করেছি আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন এবং কাজ করতে পেরে উপকৃত হবেন। তবুও কোন সমস্য হলে নির্দিধায় কমেন্টে প্রশ্ন করবেন। আর যারা উইন্ডোজ সেটাপ দিতে জানেন না, তাদের জন্য স্ক্রিনশটসহ বিস্তারিত উইন্ডোজ এক্সপি এবং সেভেন সেটাপ দেওয়ার টিউটোরিয়ালের লিংক দিয়ে দিলাম।


উইন্ডোজ সেভেনঃ http://­www.pchelpcenterbd.co­m/archives/4691

উইন্ডোজ এক্সপিঃ http://­www.pchelpcenterbd.co­m/archives/4361

Tuesday, January 24, 2017

ছাত্রদের জন্য Online হতে টাকা আয় করার সহজ ৬ টি সহজ টিপস

ছাত্রদের জন্য Online হতে টাকা আয় করার সহজ ৬ টি সহজ টিপস

আরও অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। মাঝে মাঝে আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত দুই বৎসর এ সকল সাইটে সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং করে কাটালাম না।
এ রকম আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। আপনি যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।
ছাত্রদের জন্য Online হতে টাকা আয় করার ৬ টি সহজ টিপস
আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটা Facebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সি আধুনিক জেনারেশনরা ইন্টারনেট হতে অল্প কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।
কেন ছাত্রদের টাকার প্রয়োজনঃ স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন গুলি মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming consoles, Cool cloths ইত্যাদি লাগেই। এ গুলি তাদের চলার পথকে আর Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপার গুলি অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হতো তেমনি প্রয়োজন গুলিও মিটে যেত। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দুষের কি? নিচে আমি অনলাইন হতে আয় করা সহজ কিছু কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু পয়সা উপার্জন করে নিতে পারবেন।
০১। YouTube হতে টাকা উপার্জনঃ অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube. এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিও YouTube এ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে। 
Earn Money from Youtube
০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।
Earn Money from Blog
০৩। Freelancing – একজন লেখক হয়েঃ Freelancing হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
Earn Money from Freelancing
০৪। Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।
Earn Money from Adsense
০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।
Earn Money from Answering
০৬। EBAY and AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।
Earn Money from Amazone
উপসংহারঃ আপনারা পোষ্টটি পড়ে হয়তো ভাবছেন এখানে ইন্টারনেট হতে আয় করার কথা বার বার বলা হচ্ছে কিন্তু কিভাবে করবো তা দেখানো হচ্ছে না কেন? আসলে কিভাবে আয় করবেন এটা নিয়ে বর্ণনা করা এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শুধু আয় করার সহজ কয়েকটি পথ দেখিয়ে দিলাম। যার ফলে আপনি এই পথ ধরে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আর আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে ইন্টারনেট হতে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। তবে আমরাও পরবর্তীতে আলাদাভাবে সব টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। ততক্ষণ আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ...
YouTube এ Video Upload করে টাকা আয় করুন

YouTube এ Video Upload করে টাকা আয় করুন

অনলাইনে ঘরে বসে আয় করার অনেক উপায় আছে। আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে ঘরে বসেই খুব সহজে কিছু টাকা উপার্জন করতে পারবেন। সম্প্রতি সময়ে অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন করার মাধ্যম গুলির মধ্যে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো YouTube এ ভিডিও আপলোড করে টাকা আয়। আপনিও খুব সহজেই YouTube থেকে টাকা উপার্জন করতে পারেন। আজ আমরা আপনাকে দেখাবো কিভাবে YouTube থেকে খুব সহজে টাকা উপার্জন করবেন।
কিভাবে YouTube এ Video Upload করে টাকা আয় করবেন?
ভিডিও তৈরীর জন্য আপনি দুটি উপায় অবলম্বন করতে পারেন। প্রথমটি হলো ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও তৈরি করে YouTube এ আপলোড এবং ২য়টি হলো কম্পিউটারের সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন ভিডিও Editing এর মাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে করে YouTube এ আপলোড। তবে ভিডিও তৈরির আগে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, আপনার ভিডিওটি অবশ্যই মজাদার বা শিক্ষনীয় ও ভালো মানের হতে হবে। কারও কোন ভিডিও নকল করে কিংবা সামান্য পরিবর্তন করে কাজটি করা যাবে না। তাহলে আপনি YouTube এর কাছে কপিরাইটের দায়ে পেসে যেতে পারেন।
বাংলাদেশ থেকে কি আয় করা সম্ভবঃ এ বিষয়টি নিয়ে লেখার আগে আমি অনেক বাংলা সাইট Research করে দেখেছি। বিভিন্ন জন তাদের সাইটে বিভিন্ন চাতুরীর কথা লিখেছেন যে, কিভাবে বাংলাদেশ হতে YouTube এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে হয়। আসলে YouTube এর মাধ্যমে এখনো বাংলাদেশ থেকে টাকা উপার্জন করা সম্ভব নয়। কারণ বাংলাদেশে এখনো YouTube Monetization সাপোর্ট দিচ্ছে না। সে জন্য যে যতই চাতুরীর কথা বলুক না কেন সাধারণ কোন Channel দিয়ে ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করা অাদৌ সম্ভব নয়। তবে আপনি যদি আপনার YouTube Channel টিকে ভালমানের একটি Channel হিসেবে YouTube এর কাছে প্রমান করতে পারেন তাহলে YouTube আপনাকে তাদের নিজে থেকে Monitization এর জন্য অফার করবে। কেবল তখনই আপনি বাংলাদেশ থেকে YouTube এর মাধ্যমে অনলাইন হতে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। YouTube Monetized সাপোর্টকৃত দেশগুলির নাম দেখে আসতে পারেন।

কিভাবে আয় করবেনঃ

  1. YouTube Channel তৈরীঃ প্রথমেই আপনাকে Gmail ID এর মাধ্যমে একটি YouTube Channel তৈরী করে নিতে হবে। YouTube.Com এ গিয়ে Gmail ID এর মাধ্যমে Signup করলেই আপনার YouTube Channel তৈরী হয়ে যাবে।
  2. YouTube Partner হওয়াঃ তারপর বামপাশের অপশন হতে My Channel এ ক্লিক করলে আপনার YouTube Channel টি দেখতে পাবেন। আপনার Channel টির নামের উপরে Video Manager নামে আরেকটি অপশন দেখতে পাবেন সেটিতে ক্লিক করুন। এখন বামপাশের Channel অপশনে ক্লিক করার পর ডানে অনেক অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার নামের পাশে থাকা Partner হতে মোবাইল নাম্বার দিয়ে Partner Verified করতে হবে। Partner Verified না করলে আপনার ভিডিও গুলিকে Monetized করতে পারবেন না। 
  3. ভিডিও আপলোড করাঃ এখন আপনার ভিডিওটি আপলোড করুন। আপলোড হওয়ার পর ভিডিওটির নিচের দিকে Monetized অপশন দেখতে পাবেন। এখানে Monetize with ads অপশনে ঠিক চিহ্ন দিয়ে দিলেই আপনার ভিডিওটিতে এখন থেকে Google বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখাবে। তবে সাবধান কোন প্রকার কপি করা ভিডিও আপলোড করবেন না। তাহলে ইউটিউব যে কোন সময় আপনার Monetized অপশন Disable করে দেবে।
  4. AdSense এ Apply করাঃ এখন আপনাকে আপনার YouTube Channel এর মাধ্যমে Google AdSense এর জন্য আবেদন করতে হবে। এই AdSense এর মাধ্যমে আপনি টাকা উত্তোলন করবেন। এখন আবার বামপাশের Channel অপশন হতে Monetization অপশনে ক্লিক করে ডানপাশে Enable Monetization বাটন হতে Monetization একটিভ করে নিতে হবে। তারপর নিচের দিকে How Will Paid নামে আরেকটি অপশন পাবেন। সেখানে associate an AdSense account এ ক্লিক করে Next ক্লিক করে আপনার Gmail ID এর মাধ্যমে লগইন করে যাবতীয় তথ্য দিলেই আপনার AdSense Request চলে যাবে। এখন ২-৩ দিনের মধ্যে আপনার AdSense Approve এর মেইল আপনার ইনবক্সে চলে আসবে।

কিভাবে এই আয় বাড়াবেনঃ

  1. ভিডিওটির বর্ণনা দেয়াঃ নতুন ভিডিও আপলোড করার পর সাথে সাথে ভিডিওটি সম্পর্কে তার নিচে বর্ণনা দিয়ে দেবেন। তাহলে YouTube সহজে আপনার ভিডিওটি সম্পর্কে ধারনা পেয়ে যাবে। এতেকরে YouTube নির্ধারিত টপিক অনুযায়ী ভিজিটদের কাছে ভিডিওটি পৌছে দেবে।
  2. নিয়মিত ভিডিও তৈরীঃ নিয়মিত নিত্য নতুন ভালমানের ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করবেন। তাহলে আপনার Channel টির Viewer বাড়তে থাকবে। আর Viewer বাড়া মানেই হচ্ছে আপনার আয় বেড়ে যাওয়া।
  3. ভিডিও শেয়ার করাঃ ভিডিও পাবলিশ করার পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, যেমন-ফেইসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস ইত্যাদি সাইটগুলিতে আপনার ভিডিও শেয়ার করতে পারেন।
  4. ব্যাক লিংক তৈরীঃ আপনি যে বিষয় নিয়ে ভিডিও টিউটোরিয়াল বা ভিডিও তৈরী করছেন এরকম অন্য জনপ্রিয় সাইটগুলিতে আপনার ভিডিওটির লিংক দিয়ে দিতে পারেন। এতে করে সেখান থেকেও আপনার সাইটে প্রচুর ভিজিটর পেয়ে যাবেন।
শেষ কথাঃ যেহেতু YouTube হচ্ছে Google কোম্পানির একটি অংশ, সুতরাং আপনি চাইলে এখান থেকে আপনার পরিশ্রম কাজে লাগিয়ে বিশ্বস্ততার সাথে টাকা উপার্জন করতে পারেন। এর সব চাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনাকে কোন প্রকার Domain ও Hosting কোনটাই কিনতে হচ্ছে না। তাছাড়া YouTube এর মাধ্যমে খুব সহজেই Google AdSense অনুমোদন পাওয়া যায়। কাজেই আমার মনেহয় এটিই হচ্ছে অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সবচেয়ে সহজ, ফ্রি এবং বিশ্বস্ত একটি উপায়।
১০০% নিরাপদ উপায়ে এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার উপায়

১০০% নিরাপদ উপায়ে এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার উপায়

এক সময় এন্ড্রয়েড ফোন রুট করা অনেক কঠিন একটা ব্যাপার ছিল। কিন্তু এখন রুট করাটা অনেক সহজতর ব্যাপার হয়েগেছে। আমি আপনাদের আজকে ০৪ টি উপায়ে রুট করার কৌশল দেখাবো। ০৩ টি পদ্ধতী দেখাবো কিভাবে কম্পিউটার ছাড়াও আপনার নিজস্ব মোবাইলের মাধ্যমে রুট করতে হয়। আর ৪র্থ পদ্ধতীতে দেখাবো কম্পিউটার দিয়ে কিভাবে এন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করতে হয়। ০৪ টি পদ্ধতীই খুব সহজ এবং নিরাপদ। যার যার চাহিদামত কম্পিউটার অথবা মোবাইলের মাধ্যমে আপনার প্রিয় এন্ড্রয়েড মোবাইলটি-কে রুট করে নিতে পারবেন। যাদের কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপ নেই তারা চাইবে মোবাইলের সাহায্যে রুট করে নিতে। আর যাদের কম্পিউটার আছে তারা ইচ্ছা করলে ০৪ টির মধ্যে যে কোন একটি উপায়ে রুট করে নিতে পারবেন। সবার চাহিদার কথা ভেবে আমি আপনাদের জন্য এই চারটি পদ্ধতি একসাথে শেয়ার করে দিলাম। তবে আমার পরামর্শ হচ্ছে যাদের কম্পিউটার আছে তারা অবশ্যই কম্পিউটার এর মাধ্যমে রুট করে নিবেন। কারণ কম্পিউটার এর মাধ্যমে রুট করা সবচেয়ে সহজ এবং নিরাপদ।
root-android-device
রুট কিঃ শব্দটি এতোই প্রচলিত হয়ে গেছে যে, রুট ইউজার বলার বদলে সবাই এটিকে সরাসরি রুট বলে থাকে। সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায়, রুট হচ্ছে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটর বা প্রশাসক। যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড়, লিনাক্সের জগতে রুট বলতে সেই পারমিশন বা অনুমতিকে বোঝায়, যা ব্যবহারকারীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে তোলে। রুট হচ্ছে একটি এ্যাডমিনিষ্ট্রেশন পারমিশন বা অনুমতি। এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী এ্যাডমিনিষ্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না। লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম এ্যাডমিনিষ্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না। যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই রুট ইউজার বলা হয়। নিচে আমি বর্ণনা করবো কিভাবে রুট করতে হয়।

প্রথম পদ্ধতী - মোবাইলের মাধ্যমে রুটঃ 

এ পদ্ধতীতে দেখাবো কিভাবে Kingroot এ্যাপ দিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে খুব সহজে আপনার এন্ড্রয়েড ফোন রুট করবেন। এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার জন্য বর্তমান সময়ে এটি খুবই সহজ এবং জনপ্রিয় একটি এ্যাপ। এটি শুরুর দিকে Chines Version ছিল। অল্প কিছু দিন হয়েছে এর English Version বের হয়েছে। এটি দিয়ে মাত্র এক ক্লিক করেই আপনার ফোনটি রুট করতে পারবেন। এটি দিয়ে অনেকট আপডেট ভার্সন পর্যন্ত রুট করা সম্ভব।
  • প্রথমে এখান থেকে (4.9.6 Updated) এ্যাপটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। (নোটঃ সম্প্রতি এই App টির Developer Team বলছেন এটি দিয়ে এন্ড্রয়েড 2.3 থেকে শুরু করে সর্বশেষ ভার্সন 6.1 পর্যন্ত রুট করা যাবে)।
  • ইনস্টল হওয়ার পর এ্যাপটি অপেন করলে কিছুক্ষনের মধ্যে আপনার মোবাইলটি স্ক্যান হবে এবং নিচের চিত্রটি শো করবে। রুট করার জন্য অবশ্যই আপনার মোবাইলের ইন্টারনেট একটিভ করে রাখবেন।
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়
  • এখানের নীল রংয়ের Try it বাটনে ক্লিক করলে ফোনের রুট Status Verify শুরু করবে।
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়
  •  উপরের চিত্রে দেখুন ফোনের Root Status Verify করছে।
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়
  • উপরের চিত্রের নীল কালারের Start Root বাটনে ক্লিক করলে আপনার মোবাইল রুট হওয়া শুরু করবে।
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়
  • উপরের চিত্রটিতে ১০০% না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এটি কমপ্লিট হতে ২/৩ মিনিট সময় নিতে পারে। ১০০% হয়ে গেলে নিচের চিত্রেরমত Success ম্যাসেজ শো করবে।
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়
  • এখন আপনার মোবাইলটি Restart করুন। That's all.
  • এরপর শুধু KingUser টি রেখে বাকী সব Extra এ্যাপ Uninstall করতে পারেন।

দ্বিতীয় পদ্ধতী - মোবাইলের মাধ্যমে রুটঃ 

এই পদ্ধতীতে মোবাইলের মাধ্যমে এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার জন্য আপনাকে Framaroot নামের এই এ্যাপটি ব্যবহার করতে হবে। এটি "আল্পাজেইন" নামক একজন এন্ড্রয়েড ডেভেলপার তৈরী করেছেন, যিনি XDA Forums এর একজন জনপ্রিয় এন্ড্রয়েড ডেভেলপার। মোবাইল রুট করার জন্য এটি একটি সহজ উপায়। কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই বলতে গেলে মাত্র এক ক্লিকেই আপনার মোবাইল রুট করে নিতে পারবেন। এই এ্যাপটির মাধ্যমে এন্ড্রয়েড এর 2.00 থেকে 4.4.4 ভার্সন ব্যবহারকারীরা রুট করতে পারবেন। এর পরের ভার্সন ব্যবহারকারীরা এটি দিয়ে রুট করতে পারবেন না। তাই বলে হতাশ হবেন না। আমার পোষ্টটির ৪র্থ পদ্ধতীর মাধ্যমে যে কোন ভার্সন রুট করতে পারবেন।
  • প্রথমে এখান থেকে Framaroot (1.9.3 Updated) এ্যাপটি ডাউনলোড করে নেন।
  • তারপর আপনার কাঙ্খিত মোবাইলে এ্যাপটি ইনস্টল করুন।
  • এরপর অপেন করে নিচের চিত্রে মত ‘Install SuperSU’ সিলেক্ট করে Gandalf এ ক্লিক করুন।
Framaroot
  • এখন কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে নিচের চিত্রের মত ম্যাসেজ শো করবে ''Success- Superuser and SU binary installed. You have to reboot your device'' তার মানে হচ্ছে আপনার রুট করা হয়েগেছে। এখন আপনার মোবাইল ফোনটি রিষ্টার্ট করতে হবে। 
Frameroot Sucsess
  • এই হচ্ছে মোবাইলের মাধ্যমে এন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করা একটি সহজতর উপায়। এখন আপনাদের দেখাবো কম্পিউটার এর মাধ্যমে কিভাবে এন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করতে হয়।

তৃতীয় পদ্ধতী - মোবাইলের মাধ্যমে রুটঃ

দীর্ঘ দিন থেকে Kingo Root শুধুমাত্র কম্পিউটার এর মাধ্যমে এন্ড্রয়েড ফোন Root করার সুবিধা দিয়ে আসছিল। সম্প্রতি তারা Kingo Root এর Apk ভার্সন বের করেছে। ফলে এখন থেকে যাদের হাতে নাগালে কম্পিউটার নেই, তারাও অত্যান্ত কার্যকরী এই App টি দিয়ে সহজে এন্ড্রয়েড মোবাইলটি রুট করে নিতে পারবেন।
  • প্রথমে এখান থেকে Kingo Root এ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
  • তারপর এ্যাপটি Install করে Launch করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন। (মোবাইলের ইন্টারনেট কানেশন অবশ্যই একটিভ করে রাখবেন)
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়!
  • এখন উপরের চিত্রের নীল কালারের One Click Root  অপশনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রের ন্যায় রুট হওয়া শুরু করবে।
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়!
  • এই অংশে আপনাকে কিছুই করতে হবে না। শুধুমাত্র রুট না হওয়া পর্যন্ত কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। রুট সম্পন্ন হওয়ার পর নিচের চিত্রেরমত Success Message শো করবে।
এন্ড্রয়েড ফোন রুট করার সবচেয়ে সহজ এবং ১০০% নিরাপদ উপায়!
  • এতটুকু করলেই তৃতীয় পদ্ধতীতে আপনার মোবাইল রুট হয়ে যাবে।

চতুর্থ পদ্ধতী - কম্পিউটারের মাধ্যমে রুটঃ  

আমি আগেই বলে দিয়েছি যাদের কম্পিউটার আছে তারা অবশ্যয় এই পদ্ধতিতে রুট করে নেবেন। কারণ এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ অর্থাৎ মোবাইল ব্রিক করার কোন প্রকার ঝুকি নেই। এ পদ্ধতিতে এন্ড্রয়েড এর যে কোন ভার্সন-কে রুট করতে পারবেন। সর্বশেষ Android Marshmallow ভার্সন পর্যন্ত এটি অনায়াসে রুট করতে সক্ষম। তাহলে দেরী না করে কাজের কথায় আসি।
  • Kingo Android Root সফটওয়ারটি আপনার কম্পিউটারে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন।
  • ইনস্টল করার পর সফটওয়ারটি রান করলে নিচের চিত্রের মত শো করবে।
kingo root device not connected
  • এখন আপনাকে ছোট একটা কাজ করতে হবে। মোবাইলের Developer Options অন করে Enable USB Debugging এ ঠিক চিহ্ন দিতে হবে। এটি করার জন্য আপনার মোবাইলে Settings থেকে Developer Options যেতে হবে। নিচের চিত্রে দেখুন-
USB-Debugging
  • তারপর USB Cable এর মাধ্যমে আপনার মোবাইলটি কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করুন।
  • কানেক্ট হওয়ার পর এটি অটোমেটিক্যালি ড্রাইভার ডাউলোড করে ইনস্টল করে নেবে। এর জন্য অবশ্যয় আপনার কম্পিউটারটি ইন্টারনেট এর সাথে কানেক্টেট থাকতে হবে।
  • ড্রাইভার ইনস্টল হওয়ার পর মোবাইলটি কম্পিউটার থেকে ডিসকানেক্ট করে আবার কানেক্ট করলে নিচের চিত্রের মত দেখতে পাবেন।
mobile-root-connection
  • এখানে শুধু ROOT এ ক্লিক করলেই আপনার মোবাইলটি রুট হতে শুরু করবে। এর মধ্যে আপনাকে কিছুই করতে হবে না। নিচের চিত্রের মত রুট হওয়ার অপশন শো করতে থাকবে। (রুট হওয়ার জন্য ২-৩ মিনিট সময় নিতে পারে)
rooting
  • রুট কমপ্লিট হওয়ার পর নিচের চিত্রের মত সাকসেছ ম্যাসেজ শো করলে Finish Button এ ক্লিক করতে হবে।
root-success
  • তারপর আপনার মোবাইলটি রিস্টার্ট করুন। That's All.
সাহায্য জিজ্ঞাসাঃ এখন থেকে আপনার মোবাইলটি রুটেড ডিভাইস। রিস্টার্ট হওয়া পর মোবাইলে SuperSU নামের একটি এ্যাপ দেখতে পাবেন। এটি হচ্ছে আপনার রুট এ্যাপ/ইউজার। আশা করি সবাই বুঝতে পারবেন। তারপরও যদি কারও বুঝতে অসুবিধা হয় কিংবা কোন প্রকার সমস্যা হয় তাহলে কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

Monday, January 23, 2017

Windows 10 Final ভার্সন Download অথবা Upgrade করার পদ্ধতি

Windows 10 Final ভার্সন Download অথবা Upgrade করার পদ্ধতি

বন্ধুরা শিরোনাম দেখেই বুঝতেই পারছেন কি নিয়ে পোস্ট করতে যাচ্ছি। আমরা সবসময় নতুন কিছু পছন্দ করে থাকি, আর এটাই স্বাভাবিক। বেশ কয়েক মাস গুঞ্জন ও নানান আলোচনা সমালোচনা পর অবশেষে Microsoft তাদের সর্বশেষ সংস্করন Windows 10 রিলিজ করলো। এটি বের হওয়ার আগে Microsoft অবশ্য বেশ কয়েকটি Preview ভার্সন বের করেছিল। যার ফলে এটি আমাদের কাছে একদম নতুন কিছু নয়। তবে Preview ভার্সনের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে। তাই Microsoft এর ঘোষনা অনুযায়ী তারা গতকাল Microsoft Windows 10 Final ভার্সন রিলিজ করে।
Download-and-Upgrate-Windows-10
আসলে বিষয়টি আমার ব্লগের সাথে সম্র্পিক্ত নয়, তারপরও আমি লিখতে বাধ্য হলাম। কারণ  Microsoft এর নতুন Windows বলে কথা। সেই জন্য পোষ্ট না করে থাকতে পারলাম না।
আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে Microsoft Windows 10 Final ভার্সন আপনার কম্পিউটারে আপডেট এবং ডাউনেলোড করবেন। আপনি চাইলে যে কোন একটি বেছে নিতে পারেন। আপনি যদি চান তবে সরাসরি আপডেট করে নিতেও পারবেন। তবে এক্ষেত্রে পরবর্তীতে ইন্সটল দেয়ার জন্য কোন ফাইল পাবেন না। কিন্তু যদি ডাউনলোড করে রাখেন তাহলে যে কোন সময় যে কোন কম্পিউটারে ইন্সটল করতে পারবেন। কাজেই আমার মনে হয় ডাউনলোড করে রাখাটাই সবচেয়ে উত্তম হবে।

কিভাবে করবেনঃ

  • প্রথমে মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল সাইট থেকে আপনার কম্পিউটার Windows ভার্সন অনুযায়ি Media Creation Tool টি ডাউলোড করে নিন।
  • ডাউনলোড করার পর Media Creation Tool টি রান করুন।
  • তারপর এটি অপেন হলে নিচের চিত্রের মত দেখতে পাবেন।
Download-and-Upgrate-Window-10
  • আপনি যদি সরাসরি Upgrade করে নিতে চান তাহলে Upgrade this PC now এ ক্লিক করে আপডেট করে নিতে পারেন। যেহেতু আমরা আগে ডাউনলোড করবো এবং পরে ইন্সটল করবো, সেহেতু আমার নিচের Create Installation Media for Another PC সিলেক্ট করে Next এ ক্লিক করবো। তারপর নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন -
Download-and-Upgrate-Window-10
  • এখানে আপনি উপরের ড্রপডাউন ম্যানু হতে Language অর্থাৎ ভাষা সিলেক্ট করে দিবেন। Language এর জায়গায় অবশ্যই English সিলেক্ট করে দেবেন। Edition আপনার পছন্দ অনুযায়ী যে কোন একটি দিতে পারেন। যেমন- দেখুন আমি Windows 10 Pro ভার্সন ডাউনলোড করেছি। শেষের Architecture এর জায়গায় আপনি যে Bit এর ভার্সন পছন্দ করেন তা সিলেক্ট করে দেবেন অথবা উভয় ভার্সনই ডাউনলোড করতে পারেন। তারপর Next এ ক্লিক করলে নিচের চিত্র দেখতে পাবেন।
Download-and-Upgrate-Windows-10
  • উপরের চিত্র হতে ISO File সিলেক্ট করে Next এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি শো করবে।
Download-and-Upgrate-Windows-10
  • এখানে আপনি ফাইলটি কম্পিউটারের যে জায়গায় Save করতে চান তা দেখিয়ে Save এ ক্লিক করলেই ডাউনলোড হওয়া শুরু করবে।
Download-and-Upgrate-Windows-10
  • এখানে আপনার ইন্টারনেট Speed এর উপর ডাউনলোড এর সময় নেবে। তারপর আপনি নরমালি পিসিতে ইন্সটল দিতে পারবেন। আর যদি ইনস্টল দিতে না পারেন তাহলে আমাদের জানাবেন আমরা আপনাকে হেল্প করার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।
অফিসিয়াল ডাউনলোড লিংক
Windows 10 Edition 32 bit 64 bit
Windows 10 Home Official Downloader Tool / Mirror Official Downloader Tool / Mirror
Windows 10 Pro Official Downloader Tool / Mirror Official Downloader Tool / Mirror
Windows 10 Enterprise Official Download Page
 
সরাসরি ডাউনলোড লিংক
Windows 10 Edition 32 bit 64 bit
Windows 10 Home Download (2.87 GB) Download (3.82 GB)
Windows 10 Pro Download (2.84 GB) Download (3.80 GB)
Windows 10 Enterprise Download (2.69 GB) Download (3.84 GB)
Windows 10 Education Download (2.62 GB) Download (3.53 GB)
Windows 10 All in One ! Download (4.80 GB) / Google Drive Mirror
 
টরেন্ট ডাউনলোড লিংক
Windows 10 Edition 32 bit 64 bit
Windows 10 Home Download Download
Windows 10 Pro Download Download
Windows 10 Enterprise Download Download
Windows 10 Education Download Download
Windows 10 All in One ! Download
Web Browsers এর বাংলা ফন্ট সমস্যার সঠিক সমাধান !

Web Browsers এর বাংলা ফন্ট সমস্যার সঠিক সমাধান !

এক সময় ছিল যখন Web Browsers গুলিতে বাংলা ফন্ট দেখাই যেত না। তবে কালক্রমে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের উন্নতির সাথে সাথে ওয়েবসাইটে ঝকঝকে বাংলা ফন্ট শো করানোটা অনেক সহজ হয়ে গেছে। তারপরও যারা বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানেন না তারা মাঝে মধ্যে বাংলা ফন্ট নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক সময় ওয়েবসাইটের বাংলা লেখার মাঝে মাঝে ভাঙ্গা ভাঙ্গা অক্ষর দেখা যায়। এই পোস্টটি তাদের জন্য যারা ওয়েব জগতে একদম নতুন কিংবা হেলার কারনে বিষয়টি অগুচরে রয়ে গেছে। আপনি এই পোষ্টটি থেকে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় Mozilla Firefox এবং Google Chrome ব্রাউজারে পরিষ্কার ও ঝক ঝকে বাংলা ফন্ট দেখতে পাবেন।
Solve-Bangla-Font-Problem
আসলে এই পোষ্টটিতে আমার ব্লগ সম্পর্কিত কোন আর্টিকেল নেই। তারপর যেহেতু আমার ব্লগটি বাংলায়, সেহেতু আমার ব্লগের কথা চিন্তা করে এই পোষ্টটি শেয়ার করতে হচ্ছে। কারণ অনেকে যখন আমার ব্লগটি ভিজিট করেন তখন বলে থাকেন যে, বাংলা ফন্টগুলি পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে না। কাজেই বাংলা ফন্ট দেখতে যাতে কোন প্রকার সমস্যা না হয় তাদের জন্য এই পোষ্ট। এই পোষ্টটি থেকে গুগলসহ যে কোন ওয়েবসাইটের বাংলা লেখা পরিষ্কার এবং ঝক ঝকে দেখতে পাবেন। এখানে Mozilla Firefox, Google Chrome এবং Opera মোট তিন টি Browser এর বাংলা ফন্ট সমস্যার সামাধান করার পদ্ধতী দেখানো হবে।

আমার ব্লগে পরিষ্কার বাংলা ফন্ট দেখার জন্যঃ

আমার ব্লগে ডিফল্ট বাংলা ফন্ট হিসেবে Solaiman Lipi ব্যবহার করেছি। সে জন্য কারও কম্পিউটারে যদি এ ফন্টটি ইনস্টল থাকে, তাহলে কম্পিউটার থেকে ভিজিট করার সময় আমার ব্লগের বাংলা ফন্ট দেখতে কোন সমস্যা হবে না।
  • প্রথমে এই লিংক থেকে Solaiman Lipi ফন্টটি ডাউনলোড করুন।
  • তারপর মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করে Install করুন।
এতটুকো করলেই আমার ব্লগের সকল বাংলা ফন্ট পরিষ্কারভাবে দেখতে পাবেন। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট "প্রথম আলো, কালের কন্ঠ এবং যুগান্তর"  ছাড়াও সকল ভালমানের বাংলা ওয়েবসাইটসহ প্রায় ৯০% এর বেশী ওয়েবসাইট ডিফল্ট বাংলা ফন্ট হিসেবে Solaiman Lipi ব্যবহার করছে। কাজেই এই ফন্টটি আপনার কম্পিউটার ইন্সটল করা থাকলে আপনি ৯০% এর বেশী বাংলা ওয়েবসাইট পরিষ্কারভাবে পড়তে পারবেন। এ ছাড়া অন্যান্য বাংলা ওয়েবসাইট যারা নির্দিষ্টভাবে কোন বাংলা ফন্ট ব্যবহার করছে না, তাদের ব্লগ/ওয়েবসাইট দেখার জন্য নিচের পদ্ধতীগুলি অনুসরণ করুন।

Mozilla Firefox ব্রাউজারের বাংলা ফন্ট সমস্যার সমাধানঃ

  • প্রথমে Mozilla Firefox ব্রাউজার Open করুন।
  • এখন Browser এর ম্যানুবার থেকে Tools > Option > Content এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
সব ধরনের Web Browsers এর বাংলা ফন্ট সমস্যার সমাধান
  • তারপর ২য় তীর চিহ্ন দ্বারা মার্ক করা অংশে Solaiman Lipi ফন্ট সিলেক্ট করে দেন। উপরের এই চিত্রটি হচ্ছে Mozilla Firefox এর সর্বশেষ ভার্সন 48.0 এর চিত্র। আপনি অন্য কোন ভার্সনের ট্রাই করলে চিত্রটি হয়তো ভিন্ন হতে পারে কিন্তু অপশন ঠিক একই হবে। (নোটঃ Mozilla Firefox এর এ যাবৎ যতগুলি ভার্সন বের হয়েছে তার মধ্যে 37.0 হচ্ছে সব চাইতে ভালো। এ ভার্সনটিতে দ্রুত লোড নেয়ার পাশাপাশি ভাল ইন্টারফেস পাওয়া যায়। আপনি ইচ্ছে করলে এখান থেকে 37.0 ভার্সনটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন)।

Google Chrome ব্রাউজারের বাংলা ফন্ট সমস্যার সমাধানঃ

  • প্রথমে Google Chrome ব্রাউজার অপেন করলে ব্রাউজারের উপরের ডান পাশের কোনায় নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
Solve-Bangla-Font-Problem
  • উপরের চিত্রে মার্ক করা বাটন হতে Settings অপশনে ক্লিক করুন।
  • তারপর একদম নিচের দিক হতে Show advanced Settings অপশনে ক্লিক করলে নিচের দিকে এই ছবিটির মত অপশন দেখতে পাবেন।
Solve-Bangla-Font-Problem
  • এখানে Custom Fonts অপশনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
সব ধরনের Web Browsers এর বাংলা ফন্ট সমস্যার সমাধান
  • এখানে উপরের চিত্রের মত সবগুলি ফন্ট সিলেক্ট করে দিয়ে সর্বশেষ Encoding অপশনে Unicode (UTF-8) সিলেক্ট করে দেন।
  • এতটুকু করলে আপনার ব্রাউজারে পরিষ্কার ও ঝক ঝকে বাংলা ফন্ট দেখতে পাবেন।

Opera ব্রাউজারের বাংলা ফন্ট সমস্যার সমাধানঃ

  • প্রথমে Opera ব্রাউজার Open করুন।
  • Browser এর ম্যানুবার থেকে Settings এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
সব ধরনের Web Browsers এর বাংলা ফন্ট সমস্যার সমাধান
  • তারপর উপরের চিত্র হতে Website > Customize Fonts এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
সব ধরনের Web Browsers এর বাংলা ফন্ট সমস্যার সমাধান
  • এখানে উপরের চিত্রের মত সবগুলি অপশনে ফন্ট সিলেক্ট করে দিয়ে সর্বশেষ Encoding অপশনে Unicode (UTF-8) সিলেক্ট করে দেন।

Google এবং Yahoo সার্চে পরিষ্কার বাংলা ফন্ট দেখার জন্যঃ

  • প্রথমে এখান থেকে Font Fixer সফটওয়ারটি ডাউনলোড করুন।
  • এখন সফটওয়ারটি Open করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
সব ধরনের Web Browsers এর বাংলা ফন্ট সমস্যার সমাধান !
  • এখানে Solaiman Lipi ফন্ট সিলেক্ট করে নিচের Fix It বাটনে ক্লিক করে কম্পিউটার Restart করুন। এখন থেকে আপনি ওয়েব এর সকল জায়গায় বাংলা ফন্ট পরিষ্কার দেখতে পাবেন।
Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করার নিয়ম

Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করার নিয়ম

এই পোষ্টটি দেখে অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন যে, Himel Computer & Multimedia একটি বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্বেও নিজ দেশের PayPal Account নিয়ে না লিখে কেন Indian PayPal Account নিয়ে লিখছে? এই প্রশ্নের জবাব হচ্ছে বাংলাদেশে আদৌ অফিসিয়ালভাবে PayPal চালু হয়নি। সে জন্য বাংলাদেশীদের জন্য এ বিষয় নিয়ে লিখা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে যারা বিভিন্ন চাতুরীর মাধ্যমে বাংলাদেশ হতে PayPal Account তৈরির কৌশল শেয়ার করে থাকেন, সেগুলিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সাপোর্ট করি না। তবে PayPal সাপোর্ট করে এমন কোন দেশে যাদের ঘণিষ্ট আত্মীয় স্বজন রয়েছে তারা ইচ্ছা করলে তাদের সাহায্যে ঐ দেশের ঠিকানা ব্যবহার করে খুব সহজে একটি Account করে নিতে পারেন। তারপরও এ ক্ষেত্রে কিছু Restriction থেকেই যায়, যেগুলি নিয়ে এখন লিখতে চাচ্ছি না। অদূর ভবিষ্যতের কোন এক দিন এ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
তাছাড়াও আমাদের ব্লগে মোট ভিজিটরের প্রায় ৫০% ভিজিটর যারা নিয়মিত ইন্ডিয়া থেকে ভিজিট করে থাকেন। সে জন্য তাদের উদ্দেশ্যে এ পোষ্টটি শেয়ার করছি। তবে যারা বাংলাদেশে রয়েছেন এবং PayPal সম্পর্কে কোন ধারনা নেই, তারাও এই পোষ্ট থেকে PayPal সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে অফিসিয়ালভাবে চালু হওয়ার পর খুব সহজে নিজের একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে পারবেন।

PayPal  কি?

PayPal হচ্ছে এক ধরনের অন-লাইন ভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে আপনি ঘরে বসেই বিশ্বের যে কোন স্থানে টাকা আদান-প্রদানসহ অন-লাইন হতে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় এবং বিল পরিশোধ করতে পারবেন। আপনি যদি একজন Freelancer বা ব্লগার কিংবা অন-লাইন আয়ের সাথে সম্পৃক্ত থাকেন, তাহলে আপনার এ ধরনের একটি একাউন্ট থাকতে হবে। কারণ আপনি যে কোম্পানি থেকে অন-লাইনের মাধ্যমে আয় করুন না কেন, তারা আপনাকে টাকা প্রদানের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম যে অপশনটা দেবে সেটা হবে PayPal. মূলত PayPal এর বিশ্বস্ততা ও সহজলভ্যতার কারনে বিশ্বে এত জনপ্রিয়তা অর্জণ করতে সক্ষম হয়েছে। তাছাড়াও আপনি যদি Google AdSense হতে আয় করে থাকেন তাহলেও খুব সহজে আপনার টাকা PayPal এর মাধ্যমে Withdraw করতে পারবেন।

Verified PayPal Account কি?

PayPal Account এর ক্ষেত্রে এই বিষয়টি হচ্ছে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ Verified PayPal Account ছাড়া আপনি PayPal এর সকল সুবিধা নিতে পারবেন না। তাছাড়া Unverified PayPal Account যে কোন সময় Suspend হতে পারে এবং Account এ থাকা Amount হারাতেও পারেন। সে জন্য PayPal Account নিরাপদ রাখার স্বার্থে এবং সকল সুবিধা ভোগ করার জন্য Account Verify করে নিতে হবে। Account Verify করার জন্য কিছু Legal Information এর প্রয়োজন হয়। সে গুলি ব্যতীত Verify করা সম্ভব হয় না।

Account তৈরি করতে যা যা প্রয়োজনঃ

  • আপনার বয়স ১৮ বৎসর হতে হবে।
  • একটি ইন্ডিয়ান একটিভ মোবাইল নাম্বার।
  • একটি ই-মেইল আইডি।
  • ভারতের অনুমোদিত একটি ব্যাংক একাউন্ট।
  • একটি PAN (Permanent Account Number) Card.

কিভাবে PayPal Account তৈরি করবেন?

সাধারণত ২ ধরনের PayPal Account রয়েছে। একটি হচ্ছে Individual Account এবং অন্যটি হচ্ছে Businesses Account. আমরা আজ Individual PayPal Account তৈরি করার পদ্ধতী দেখাব। কারণ ব্যক্তিগত বা ছোট-খাট ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে Individual Account তৈরি করাটাই উত্তম। তাছাড়া প্রথমে Individual Account তৈরি করে নিলেই পরবর্তীতে যে কোন সময় Businesses Account এ Upgrade করে নেয়া যায়।
  • প্রথমে এই লিংক ভিজিট করুন এবং উপরের ডান পাশের ‍Sign Up বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্র হতে Individual Account সিলেক্ট করে Continue বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্র দেখতে পাবেন।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • এখানে ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে Continue বাটনে ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • আপনার PAN Card এর তথ্যানুযায়ি উপরের সকল অংশ Fill Up করে Agree and Create Account বাটনে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • এখানে আপনার Credit Or Debit Card যুক্ত করার জন্য বলবে। আপনি ইচ্ছে করলে যুক্ত করতে পারবেন অথবা উপরের লাল চিহ্নিত অংশের I will link my card later এ ক্লিক করে Skip করতে পারেন।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • এখানে আপনার Account Successful হয়েছে মর্মে জানাবে এবং তীর চিহ্নিত অংশের Go to Your Account এ ক্লিক করার পর আপনার PayPal Account এ নিয়ে যাবে।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • এটা হচ্ছে আপনার PayPal Account এর ড্যাশবোর্ড। এখান থেকেই আপনি সব কিছু করতে পারবেন। উপরের চিত্রটি আমার PayPal Account এর ড্যাশবোর্ড থেকে নেয়া। এখানে দেখুন Mobile and Email Confirm দেখাচ্ছে এবং Bank Account Link করার জন্য আবেদন করেছি কিন্তু এখনো Confirm হয়নি। আপনি যখন নতুন একাউন্ট তৈরি করবেন তখন শুধুমাত্র Account Created অপশনটিতে ঠিক মার্ক দেখতে পাবেন এবং বাকী সব উহ্য থাকবে।
এতটুকু করলে আপনার PayPal Account তৈরি হয়ে যাবে কিন্তু আপনি তখনও এই Account দিয়ে কিছুই করতে পারবেন না। PayPal Account ভেরিফাই করার জন্য আপনার কাঙ্খিত PAN Card টি যুক্ত করার পাশাপাশি কমপক্ষে শেষের ৩ টি অংশ Confirm করে নিতে হবে। নিচে আমি ধারাবাহিকভাবে দেখাব কিভাবে সবগুলি Confirm করবেন।

কিভাবে PayPal Account Verify করবেন?

  • আপনার PayPal Account তৈরি হওয়ার সাথে সাথে ডান পাশে একটি Notification শো করবে।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্রে তীর চিহ্নিত অংশে নোটিফিকেশনটি দেখতে পাবেন। ঐ নটিফিকেশনে ক্লিক করা মাত্র নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • এখানে উপরের PAN Card এর অধিনে থাকা Start বাটনে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের খালি ঘরটিতে আপনার PAN Card এর নাম্বার বসিয়ে Submit বাটনে ক্লিক করা মাত্রই PAN Card টি PayPal Account এর সাথে যুক্ত হয়ে যাবে।
  • তারপর আবার PayPal এর হোম পেজে চলে আসতে হবে এবং সর্বপ্রথম Confirm Email অপশনে ক্লিক করতে হবে। Confirm Email এ ক্লিক করা মাত্র আপনার কাঙ্খিত ইমেইলের Inbox এ একটি মেইল চলে আসবে। মেইলে প্রদত্ত লিংকে ক্লিক করে আপনার PayPal Account পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করলেই Email Confirm হয়ে যাবে।
  • এরপর পুনরায় হোম পেজ হতে Confirm Mobile অপশনে ক্লিক করা মাত্র নিচের পেজটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্র হতে Confirm বাটনে ক্লিক করা মাত্র আপনার মোবাইল নাম্বারে SMS এর মাধ্যমে একটি কোড পাঠানো হবে।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • আপনার মোবাইলে প্রাপ্ত কোডটি উপরের চিত্রের ঘরে বসিয়ে দিয়ে Validate বাটনে ক্লিক করলে মোবাইল নাম্বার Confirm হয়ে যাবে।
  • আবার PayPal হোম পেজ হতে Link a Bank Account অপশনে ক্লিক করা মাত্র নিচের পেজটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্র হতে আপনার Bank Account Number এবং IFSC Code বসিয়ে Continue বাটনে ক্লিক করা মাত্র আরেকটি নতুন পেজ আসবে। যেখানে লিখা থাকবে PayPal ৪-৬ দিনের মধ্যে আপনার ব্যাংক একাউন্টে দুটি ছোট ছোট Amount পাঠাবে। Amount গুলি হতে পারে $1.01 ও $1.50 ডলারের অথবা অন্য যে কোন অংকের।
  • ৪/৫ দির পর Amount দুটি পাওয়ার পর আপনার PayPal Account এ লগইন করে Confirm Your Bank Account এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি শো করবে।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • উপরের চিত্রের হলুদ কালারের Ready to Confirm অপশনে ক্লিক করা মাত্র নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।
কিভাবে Indian PayPal Account তৈরি এবং Verify করতে হয়?
  • এখানে খালি ঘর দুটিতে Amount গুলি বসিয়ে দিয়ে Confirm বাটনে ক্লিক করলেই আপনার Bank Account Confirm হওয়ার সাথে সাথে PayPal Account Fully Verified হয়ে যাবে।

Indian PayPal Account এর কিছু অসুবিধাঃ

Indian PayPal Account এর কিছু Restrictions রয়েছে যেগুলি আপনার না জানলেই নয়। বিগত ২০১০ সালের পূর্বে Indian PayPal Account দিয়ে অন-লাইনে যে কোন কিছু কেনা-কাটার পাশাপাশি বিভিন্ন জিনিসের বিল পরিশোধ করা যেত, কিন্তু ২০১০ সালে RBI নতুন Rule জারি করে যে, Indian PayPal ব্যবহারকারীরা কেবলমাত্র টাকা আদান প্রদান ও Withdraw করতে পারবেন। অন-লাইন হতে কোন কিছু ক্রয় বা বিল পরোশোধের কাজে PayPal ব্যবহার করতে পারবেন না। তাছাড়াও একজন Indian PayPal ব্যবহারকারী আরেকটি Indian PayPal Account এ টাকা Send করতে পারবেন না।

সর্বশেষঃ একটি PayPal Account কিভাবে তৈরি করতে হয় তার বিস্তারিত এবং সব অংশই ধারাবাহিক উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। আশা করছি কারও কোন অংশ ‍বুঝতে অসুবিধা হবে না। তরপরও যদি কোন অংশ বুঝতে সমস্যা হয়, তাহলে আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। আমরা আপনার সমস্যা সমাধান করার সর্বাত্মক চেষ্টা করব, ইনশা আল্লাহ্।